ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম...

২ কোটি শিশুকে ‘ভিটামিন এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে আজ

শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ২ কোটি শিশুকে ‘ভিটামিন এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে আজ।

শনিবার (১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে ৬-১১ মাস বয়সী প্রায় ২৭ লাখ শিশুকে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে দুই লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী ও ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা ছিল। তবে ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে উপকূলে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় ১ হাজার ২২৪টি কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। এসব কেন্দ্রে পরবর্তীতে একসঙ্গে  কর্মসূচি পালন করা হবে।

গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম জানিয়েছেন, ‘আমরা বছরে দুবার ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন করে থাকি। শনিবার (১ জুন) আমরা এ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আমরা দুই রকমের ক্যাপসুল খাইয়ে থাকি। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ বয়সী শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে শিশুদের এটি খালি পেটে খাওয়ানো যাবে না। ক্যাপসুলটি কেটে চেপে শিশুর মুখে দিতে হবে। তবে শিশু বেশি কান্নাকাটি করলে কিংবা তার শ্বাসকষ্ট হলে খাওয়ানো যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতের কারণে অনেক কাজ ব্যাহত হয়েছে। সে সব জায়গাগুলোতে স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় তারা পারলে সারা দেশের সঙ্গেই এই ক্যাম্পেইন করবেন। তবে সম্ভব না হলে অথবা যখন পারবেন তখন করবেন তারা। এ ছাড়া সিলেটের বেশ কিছু জায়গাও বন্যা কবলিত। এ কারণে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বেশ কিছু এলাকা হয়তো এখনই এই কর্মসূচির আওতায় নাও আসতে পারে। এর বাইরে সারা দেশে সব জায়গায় এই ক্যাম্পেইন চলবে।

ভিটামিন এ ক্যাপসুলের উপকারিতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভিটামিন এ খাওয়ালে শিশুর পুষ্টি বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাড়ে। এ ছাড়া, রাতকানা রোগ, কো-মরবিডিটি এবং মৃত্যুহার হ্রাস করা যায়। পাশাপাশি হাম, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার মতো রোগ কমাতেও সাহায্য করে ভিটামিন এ ক্যাপসুল।’

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

২ কোটি শিশুকে ‘ভিটামিন এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে আজ

আপডেট সময় : ১১:১৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ২ কোটি শিশুকে ‘ভিটামিন এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে আজ।

শনিবার (১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে ৬-১১ মাস বয়সী প্রায় ২৭ লাখ শিশুকে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে দুই লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী ও ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা ছিল। তবে ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে উপকূলে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় ১ হাজার ২২৪টি কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। এসব কেন্দ্রে পরবর্তীতে একসঙ্গে  কর্মসূচি পালন করা হবে।

গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম জানিয়েছেন, ‘আমরা বছরে দুবার ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন করে থাকি। শনিবার (১ জুন) আমরা এ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আমরা দুই রকমের ক্যাপসুল খাইয়ে থাকি। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ বয়সী শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে শিশুদের এটি খালি পেটে খাওয়ানো যাবে না। ক্যাপসুলটি কেটে চেপে শিশুর মুখে দিতে হবে। তবে শিশু বেশি কান্নাকাটি করলে কিংবা তার শ্বাসকষ্ট হলে খাওয়ানো যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতের কারণে অনেক কাজ ব্যাহত হয়েছে। সে সব জায়গাগুলোতে স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় তারা পারলে সারা দেশের সঙ্গেই এই ক্যাম্পেইন করবেন। তবে সম্ভব না হলে অথবা যখন পারবেন তখন করবেন তারা। এ ছাড়া সিলেটের বেশ কিছু জায়গাও বন্যা কবলিত। এ কারণে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বেশ কিছু এলাকা হয়তো এখনই এই কর্মসূচির আওতায় নাও আসতে পারে। এর বাইরে সারা দেশে সব জায়গায় এই ক্যাম্পেইন চলবে।

ভিটামিন এ ক্যাপসুলের উপকারিতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভিটামিন এ খাওয়ালে শিশুর পুষ্টি বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাড়ে। এ ছাড়া, রাতকানা রোগ, কো-মরবিডিটি এবং মৃত্যুহার হ্রাস করা যায়। পাশাপাশি হাম, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার মতো রোগ কমাতেও সাহায্য করে ভিটামিন এ ক্যাপসুল।’