ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম...

৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: উত্তরা ব্যাংকের ২ কর্মকর্তার ৫ বছরের কারাদণ্ড

রেমিট্যান্সের ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ’র অভিযোগে দায়ের করা মামলায় উত্তরা ব্যাংকের ২ জন কর্মকর্তাকে ৫ বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

রবিবার (২ জুন) বিকালে ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ এস এম জিয়াউর রহমানের আদালত এই রায় দেন। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দেড় কোটি টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে, যা তাদের ব্যক্তিগত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থেকে আদায়যোগ্য।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- উত্তরা ব্যাংক লি. নারায়ণগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (বর্তমানে বরখাস্ত) রোকনুজ্জামান ও সেকেন্ড অফিসার মুক্তার হোসেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি আরিফুল ইসলাম সাজার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

২০১৪ সালের ১৬ মে তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ’র অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন ওই শাখার মহাব্যবস্থাপক আঞ্চলিক প্রধান খায়রুল আলম।

মামলায় অভিযোগ থেকে জানা যায়, ‘উত্তরা ব্যাংকের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী উত্তরা ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের বিভিন্ন শাখার সীমাতিরিক্ত টাকা নারায়ণগঞ্জ (প্রবাদ) শাখায় স্থানান্তরিত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের নিতাইগঞ্জ শাখা থেকে ২০১৩ সালের ২৭ মে থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পাঠানো নগদ রেমিট্যান্সের দেড় কোটি ও ৪০ লাখ এবং মুন্সিগঞ্জের রেকাবীবাজার শাখা থেকে ওই বছরের ২২ মে থেকে ২৭ মে পর্যন্ত পাঠানো রেমিট্যান্সের এক কোটি ১০ লাখ টাকাসহ সর্বমোট তিন কোটি টাকা স্থানান্তরিত হলে আসামিরা ওই টাকা সংশ্লিষ্ট শাখার অফিসারের কাছ থেকে বুঝে নিয়ে পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করে।’

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: উত্তরা ব্যাংকের ২ কর্মকর্তার ৫ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৬:২২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪

রেমিট্যান্সের ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ’র অভিযোগে দায়ের করা মামলায় উত্তরা ব্যাংকের ২ জন কর্মকর্তাকে ৫ বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

রবিবার (২ জুন) বিকালে ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ এস এম জিয়াউর রহমানের আদালত এই রায় দেন। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দেড় কোটি টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে, যা তাদের ব্যক্তিগত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থেকে আদায়যোগ্য।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- উত্তরা ব্যাংক লি. নারায়ণগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (বর্তমানে বরখাস্ত) রোকনুজ্জামান ও সেকেন্ড অফিসার মুক্তার হোসেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি আরিফুল ইসলাম সাজার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

২০১৪ সালের ১৬ মে তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ’র অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন ওই শাখার মহাব্যবস্থাপক আঞ্চলিক প্রধান খায়রুল আলম।

মামলায় অভিযোগ থেকে জানা যায়, ‘উত্তরা ব্যাংকের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী উত্তরা ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের বিভিন্ন শাখার সীমাতিরিক্ত টাকা নারায়ণগঞ্জ (প্রবাদ) শাখায় স্থানান্তরিত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের নিতাইগঞ্জ শাখা থেকে ২০১৩ সালের ২৭ মে থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পাঠানো নগদ রেমিট্যান্সের দেড় কোটি ও ৪০ লাখ এবং মুন্সিগঞ্জের রেকাবীবাজার শাখা থেকে ওই বছরের ২২ মে থেকে ২৭ মে পর্যন্ত পাঠানো রেমিট্যান্সের এক কোটি ১০ লাখ টাকাসহ সর্বমোট তিন কোটি টাকা স্থানান্তরিত হলে আসামিরা ওই টাকা সংশ্লিষ্ট শাখার অফিসারের কাছ থেকে বুঝে নিয়ে পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করে।’